ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র প্রাপ্ত ::
Logo রাজবাড়ী জেলা সমিতি, ঢাকার উদ্যোগে দিনব্যাপী আয়োজিত হতে যাচ্ছে রাজবাড়ী উৎসব। Logo কাতারের নিরাপত্তা ব্যবস্থাতে আমরা অভিভূত Logo ঝালকাঠির রাজাপুরে নও মুসলিম গৃহবধুর উপর হামলা Logo ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এ ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মানের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন Logo অনুষ্ঠিত হলো ঢাকাস্থ রাজবাড়ী জেলা সাংবাদিক ফোরামের নির্বাহী পরিষদের প্রথম বৈঠক। Logo সালথার সোনাপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের আংশিক কমিটি গঠন ‘সভাপতি শাহজাহান, সম্পাদক আমির’ Logo ঝালকাঠিতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নারী সহ আহত ১১ Logo রুপাপাত বামন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত Logo সালথায় সন্তানদের হাতে পিতা নিহত: আটক-৪ Logo প্রেমিকের সাথে অভিমানে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা
ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার।

ইউরিয়া সারের দাম বাড়ল কেজিতে ছয় টাকা  

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অগাস্ট ২০২২
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে ছয় টাকা বাড়িয়েছে সরকার। ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন এ দাম আজ ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

আজ সোমবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে ইউরিয়ার ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা এবং চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি ইউরিয়ার সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা। এর ফলে ছয় টাকা দাম বৃদ্ধির পরও সরকারকে প্রতি কেজিতে ৫৯ টাকা ভর্তুকি প্রদান করতে হবে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের ভর্তুকি ছিল মাত্র ১৫ টাকা।

এতে আরো বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সারের মূল্য চার দফা কমিয়ে অত্যন্ত স্বল্প দামে পর্যাপ্ত সার কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। ডিএপি সারে শতকরা ১৮ ভাগ নাইট্রোজেন বা ইউরিয়া সারের উপাদান রয়েছে। সে জন্য ডিএপির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য সরকার ডিএপি সারের মূল্য প্রতি কেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করে কৃষকদের দিয়ে যাচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে ডিএপি সারের ব্যবহার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে  ডিএপি ব্যবহার হতো আট লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ১৬ লাখ টন।

কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ডিএপি সারের ব্যবহার বাড়ার ফলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমেনি বরং বেড়েছে। ২০১৯ সালে ইউরিয়া ব্যবহার হতো ২৫ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন।

অন্যদিকে এক বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম প্রায় তিন-চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশে সারে প্রদত্ত সরকারের ভর্তুকিও বেড়েছে প্রায় চার গুণ। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে ভর্তুকিতে লেগেছিল সাত হাজার ৭১৭ কোটি টাকা; সেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে লেগেছে ২৮ হাজার কোটি টাকা।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। আমন মৌসুম (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছয় লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন, বিপরীতে বর্তমানে মজুদ রয়েছে সাত লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন, যা প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় এক লাখ টন বেশি।

এ ছাড়া অন্যান্য সার যেমন টিএসপির আমন মৌসুমে চাহিদা এক লাখ ১৯ হাজার টন, বিপরীতে মজুদ তিন লাখ ৯ হাজার টন, ডিএপির চাহিদা দুই লাখ ২৫ হাজার টন, বিপরীতে মজুদ ছয় লাখ ৩৪ হাজার  টন এবং এমওপির চাহিদা এক লাখ ৩৭ হাজার টন, বিপরীতে মজুদ রয়েছে দুই লাখ ১০ হাজার টন।

মাদক দিয়ে ফাঁসাতে ব্যর্থ হয়ে দুই কলেজছাত্র পেটালেন ২ পুলিশ সদস্য

ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার।

ইউরিয়া সারের দাম বাড়ল কেজিতে ছয় টাকা  

আপডেট সময় ০৬:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অগাস্ট ২০২২

ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে ছয় টাকা বাড়িয়েছে সরকার। ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন এ দাম আজ ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে।

আজ সোমবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে ইউরিয়ার ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা এবং চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি ইউরিয়ার সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা। এর ফলে ছয় টাকা দাম বৃদ্ধির পরও সরকারকে প্রতি কেজিতে ৫৯ টাকা ভর্তুকি প্রদান করতে হবে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের ভর্তুকি ছিল মাত্র ১৫ টাকা।

এতে আরো বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সারের মূল্য চার দফা কমিয়ে অত্যন্ত স্বল্প দামে পর্যাপ্ত সার কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। ডিএপি সারে শতকরা ১৮ ভাগ নাইট্রোজেন বা ইউরিয়া সারের উপাদান রয়েছে। সে জন্য ডিএপির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য সরকার ডিএপি সারের মূল্য প্রতি কেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করে কৃষকদের দিয়ে যাচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে ডিএপি সারের ব্যবহার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে  ডিএপি ব্যবহার হতো আট লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ১৬ লাখ টন।

কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ডিএপি সারের ব্যবহার বাড়ার ফলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমেনি বরং বেড়েছে। ২০১৯ সালে ইউরিয়া ব্যবহার হতো ২৫ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন।

অন্যদিকে এক বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম প্রায় তিন-চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশে সারে প্রদত্ত সরকারের ভর্তুকিও বেড়েছে প্রায় চার গুণ। ২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে ভর্তুকিতে লেগেছিল সাত হাজার ৭১৭ কোটি টাকা; সেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে লেগেছে ২৮ হাজার কোটি টাকা।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। আমন মৌসুম (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছয় লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন, বিপরীতে বর্তমানে মজুদ রয়েছে সাত লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন, যা প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় এক লাখ টন বেশি।

এ ছাড়া অন্যান্য সার যেমন টিএসপির আমন মৌসুমে চাহিদা এক লাখ ১৯ হাজার টন, বিপরীতে মজুদ তিন লাখ ৯ হাজার টন, ডিএপির চাহিদা দুই লাখ ২৫ হাজার টন, বিপরীতে মজুদ ছয় লাখ ৩৪ হাজার  টন এবং এমওপির চাহিদা এক লাখ ৩৭ হাজার টন, বিপরীতে মজুদ রয়েছে দুই লাখ ১০ হাজার টন।