ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উচ্ছেদের আধা ঘন্টা পরই ফের হকারদের দখলে ফুটপাত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ২৮ মার্চ

মানিকগঞ্জ শহরের প্রবেশপথে যানজট নিরসন ও পথচারীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে মানিকগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মানিকগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষের উদ্যেগে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও পৌর সুপার মার্কেটের সামনের সড়ক ও ফুটপাত থেকে শতাধিক হকার ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জহিরুল আলম, পৌরসভার প্যানেল মেয়র তসলিম মিয়া ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর রাজিয়া সুলতানাসহ থানা পুলিশ ও পৌরসভার কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিকেল ৫টায় অভিযান শেষ হওয়ার পর পরই হকার ও ভাসমান দোকানিরা ফের ফুটপাত দখলে নিয়ে নতুন করে তাদের দোকানপাট বসিয়েছেন। কে কার আগে নিজেদের অবৈধ স্থাপনা পুন:স্থাপন করবে সেটা নিয়ে চলছে প্রবল তোরজোর।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও পৌর সুপার মার্কেটের সামনের সড়ক, হাসপাতাল গেটসহ আশপাশের ফুটপাত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযান শেষ হতেই হকাররা পাল্লা দিয়ে নিজেদের দোকানপাট বসানোর কাজ করছে। কিছু কিছু হকার ভ্যান-ট্রলি নিয়ে নিজেদের ভাসমান দোকান বসিয়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বেচাকেনা শুরু করে দিয়েছে। বাসস্ট্যান্ড এলাকার হোটেল ব্যবসায়ীরা নিজেদের হোটেলের সামনের ফুটপাতে টেবিল, বড় পাতিলসহ অন্যান্য জিনিষপত্র বসিয়ে ফুটপাত দখল করে পথচারীদের যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্যান্য ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরাও নিজের অস্থায়ী দোকানপাট বসিয়ে ফুটপাতকে পূর্বের অবস্থায় নিয়ে এসেছে।

হকারদের সাথে কথা হলে তারা জানান, এখন রমজানের অর্ধেক শেষ হয়ে গেছে, সামনে ঈদ। রোজায় পরিবারের সদস্যদের খাবার, চিকিৎসা ও পোশাক, বাচ্চাদের পড়ালেখা ও অন্যান্য খরচসহ সব মিলিয়ে প্রচুর খরচ। ঈদে পরিবারের লোকজনকে কিছু হলেও কেনাকাটা করে দিতে হবে। এমন সময়ে তাদের উচ্ছেদ করার ফলে তারা একেবারে নি:স্ব হয়ে গেছেন। ফলে পরিবারের দিকে তাকিয়ে বাধ্য হয়ে ফের দোকানপাট বসিয়েছেন।

হকাররা আরোও জানান, তারা কাজ করে খেতে চায়, কিন্ত তাদের জন্য স্থায়ী কোন ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই ফুটপাতে বসেন। স্থায়ী কাজের সুযোগ বা স্থায়ীভাবে কোথাও ব্যবসা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধও জানান হকাররা।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র তসলিম মিয়া বলেন, অভিযানের পর হকাররা পুনরায় ফুটপাত দখল করলে দুয়েক দিনের মধ্যে আবারও অভিযান পারিচালনা করা হবে। এছাড়া, হকার নিয়ন্ত্রণে শীঘ্রই আমাদের একটি পেট্রোল টীম চালু করা হবে।

রাজবাড়ীর পাংশায় প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থা কতৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলন

উচ্ছেদের আধা ঘন্টা পরই ফের হকারদের দখলে ফুটপাত

আপডেট সময় ১০:০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ২৮ মার্চ

মানিকগঞ্জ শহরের প্রবেশপথে যানজট নিরসন ও পথচারীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে মানিকগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মানিকগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃপক্ষের উদ্যেগে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও পৌর সুপার মার্কেটের সামনের সড়ক ও ফুটপাত থেকে শতাধিক হকার ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জহিরুল আলম, পৌরসভার প্যানেল মেয়র তসলিম মিয়া ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর রাজিয়া সুলতানাসহ থানা পুলিশ ও পৌরসভার কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিকেল ৫টায় অভিযান শেষ হওয়ার পর পরই হকার ও ভাসমান দোকানিরা ফের ফুটপাত দখলে নিয়ে নতুন করে তাদের দোকানপাট বসিয়েছেন। কে কার আগে নিজেদের অবৈধ স্থাপনা পুন:স্থাপন করবে সেটা নিয়ে চলছে প্রবল তোরজোর।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ও পৌর সুপার মার্কেটের সামনের সড়ক, হাসপাতাল গেটসহ আশপাশের ফুটপাত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, উচ্ছেদ অভিযান শেষ হতেই হকাররা পাল্লা দিয়ে নিজেদের দোকানপাট বসানোর কাজ করছে। কিছু কিছু হকার ভ্যান-ট্রলি নিয়ে নিজেদের ভাসমান দোকান বসিয়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বেচাকেনা শুরু করে দিয়েছে। বাসস্ট্যান্ড এলাকার হোটেল ব্যবসায়ীরা নিজেদের হোটেলের সামনের ফুটপাতে টেবিল, বড় পাতিলসহ অন্যান্য জিনিষপত্র বসিয়ে ফুটপাত দখল করে পথচারীদের যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্যান্য ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরাও নিজের অস্থায়ী দোকানপাট বসিয়ে ফুটপাতকে পূর্বের অবস্থায় নিয়ে এসেছে।

হকারদের সাথে কথা হলে তারা জানান, এখন রমজানের অর্ধেক শেষ হয়ে গেছে, সামনে ঈদ। রোজায় পরিবারের সদস্যদের খাবার, চিকিৎসা ও পোশাক, বাচ্চাদের পড়ালেখা ও অন্যান্য খরচসহ সব মিলিয়ে প্রচুর খরচ। ঈদে পরিবারের লোকজনকে কিছু হলেও কেনাকাটা করে দিতে হবে। এমন সময়ে তাদের উচ্ছেদ করার ফলে তারা একেবারে নি:স্ব হয়ে গেছেন। ফলে পরিবারের দিকে তাকিয়ে বাধ্য হয়ে ফের দোকানপাট বসিয়েছেন।

হকাররা আরোও জানান, তারা কাজ করে খেতে চায়, কিন্ত তাদের জন্য স্থায়ী কোন ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই ফুটপাতে বসেন। স্থায়ী কাজের সুযোগ বা স্থায়ীভাবে কোথাও ব্যবসা করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধও জানান হকাররা।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র তসলিম মিয়া বলেন, অভিযানের পর হকাররা পুনরায় ফুটপাত দখল করলে দুয়েক দিনের মধ্যে আবারও অভিযান পারিচালনা করা হবে। এছাড়া, হকার নিয়ন্ত্রণে শীঘ্রই আমাদের একটি পেট্রোল টীম চালু করা হবে।