ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সালথায় কিশোর বয়সে প্রেমের ফাঁদে পড়ে নিজের জীবন শেষ করে দিল হোসাইন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

আকাশ সাহাঃ সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

যেই বয়সে পড়ালেখা ও খেলাধুলায় মনোযোগী থাকার কথা। সেই বয়সে প্রেমের ফাঁদে বেকার জীবন গড়ে তোলে মো. হোসাইন নামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর। কিন্তু পরিবার ওই কিশোরের প্রেম সম্পর্ক নেমে না নেওয়ায় ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করে সে। ঘটনাটি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামে ঘটে। হোসাইন ওই গ্রামের কৃষক মো. সেকেন মাতুব্বরের ছেলে। ৮ ভাই-বোনের মধ্যে হোসাইন সবার ছোট। হোসাইনের পরিবারের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে হোসাইনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, ১২ বছর বয়সী প্রতিবেশী এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেম সম্পর্ক গড়ে হোসাইন। একপর্যায় ওই কিশোরীকে বিয়ে করবে বলে পরিবারকে জানায় সে। কিন্তু এ প্রস্তাবে রাজি হন না তার পরিবার। এতে ক্ষুব্দ হয়ে রবিবার বিকেলে ঘরে থাকা ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে হোসাইন। পরে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.খায়রুজ্জামান বাবু মোল্লা বলেন, ছেলেটির পাশের বাড়ির একটি মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো। মেয়েরা আর্থিক ভাবে দূর্বল হওয়ায় ছেলের বাবা রাজি না হলে ছেলেটি আত্মহত্যা করে বলে আমি জানতে পেরেছি।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ ফায়েজুর রহমান (পিপিএম) বলেন, কিশোর হোসাইন এক কিশোরীর প্রেমে পড়ে। বিষয়টি তার পরিবার মেনে না নেওয়ায় বিষপান করে সে আত্মহত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দাঁড়ি বড় রাখায় যুবককে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলে!

সালথায় কিশোর বয়সে প্রেমের ফাঁদে পড়ে নিজের জীবন শেষ করে দিল হোসাইন

আপডেট সময় ১০:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আকাশ সাহাঃ সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

যেই বয়সে পড়ালেখা ও খেলাধুলায় মনোযোগী থাকার কথা। সেই বয়সে প্রেমের ফাঁদে বেকার জীবন গড়ে তোলে মো. হোসাইন নামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর। কিন্তু পরিবার ওই কিশোরের প্রেম সম্পর্ক নেমে না নেওয়ায় ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করে সে। ঘটনাটি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামে ঘটে। হোসাইন ওই গ্রামের কৃষক মো. সেকেন মাতুব্বরের ছেলে। ৮ ভাই-বোনের মধ্যে হোসাইন সবার ছোট। হোসাইনের পরিবারের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে হোসাইনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, ১২ বছর বয়সী প্রতিবেশী এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেম সম্পর্ক গড়ে হোসাইন। একপর্যায় ওই কিশোরীকে বিয়ে করবে বলে পরিবারকে জানায় সে। কিন্তু এ প্রস্তাবে রাজি হন না তার পরিবার। এতে ক্ষুব্দ হয়ে রবিবার বিকেলে ঘরে থাকা ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে হোসাইন। পরে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.খায়রুজ্জামান বাবু মোল্লা বলেন, ছেলেটির পাশের বাড়ির একটি মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিলো। মেয়েরা আর্থিক ভাবে দূর্বল হওয়ায় ছেলের বাবা রাজি না হলে ছেলেটি আত্মহত্যা করে বলে আমি জানতে পেরেছি।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ ফায়েজুর রহমান (পিপিএম) বলেন, কিশোর হোসাইন এক কিশোরীর প্রেমে পড়ে। বিষয়টি তার পরিবার মেনে না নেওয়ায় বিষপান করে সে আত্মহত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।