ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

৭ জানুয়ারী নির্বাচন নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে চলছে বাক যুদ্ধের লড়াই

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ীতে ৭ জানুয়ারী নির্বাচন নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে চলছে বাক যুদ্ধের লড়াই

দলীয় সরকারের অধীনে কখনো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে আবারও মন্তব্য করছেন রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। মুঠোফোনে সাংবাদিকদের সাথে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপি নেতা খৈয়ম বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন এ দেশের মানুষ দেখেছে, কিভাবে দিনের ভোট রাতে নেয়া হয়। সে কারণে আমরা দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেই নি।

তিনি আরও বলেন সরকার যে বিরোধী দলবিহীন একতরফা নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, সেটা কোনো নির্বাচন নয়, নির্বাচনের নামে একটা নাটক মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে।
২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো এবারও আরেকটি সাজানো, পাতানো ও আসন ভাগাভাগির নির্বাচন হতে যাচ্ছে। যাকেই ভোট দেওয়া হবে, তিনি হয় নৌকার প্রার্থী, না হয় ডামি প্রার্থী, না হয় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো একতরফা ভোট বর্জন করায় মূলত বিদেশিদের চাপে নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক দেখাতে প্রায় প্রতিটি আসনে নৌকার পাশাপাশি দলের লোকদের দিয়ে এই ডামি, স্বতন্ত্র প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ। আগামী সংসদে বিরোধী দল নির্ধারণ করতেই একতরফা, ভাগ-বাটোয়ারার এই নির্বাচন করছে সরকার। কিন্তু জনগণ এই একতরফা নির্বাচন ইতোমধ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সাথে রাজবাড়ী জেলা সহ দেশের সকল জনগণকে উদার্ত আহ্বান জানিয়েছেন সবাই যেন এই প্রশাসনের নির্বাচনকে বয়কট করে।

এদিকে নির্বাচনমুখী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভোটের মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাজবাড়ী জেলায় বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী সভা সেমিনার সহ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। প্রচার প্রচারণা সহ সরকারের উন্নয়ন বার্তা নিয়ে ভোটারদের উপস্থিত করাই যেনো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

রাজবাড়ীতে নির্বাচনী এক জনসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী বলেন। বিএনপি’র নির্বাচনে আসা না আসা নিয়ে নির্বাচনে তেমন কোন প্রভাব পড়বে না। নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে সবাইকে নৌকায় ভোট দিতে হবে। এবং জনগন সবাই নৌকা মার্কায় ভোট দিবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে যাতে তিনি পুনরায় ক্ষমতায় এসে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেন এবং উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে জাতির মাঝে তুলে ধরতে পারেন।

এদিকে নির্বাচন নিয়ে বক্ষ-বিপক্ষে আওয়ামীলীগ-বিএনপি’র পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে জনমনে চলছে নানা ধরনের প্রশ্ন। ৭ জানুয়ারি আসলেই কি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। একদিকে আওয়ামী লীগ সহ অন্যান্য প্রার্থীরা ভোটের মাঠে ভোটারদের উপস্থিত করতে উৎসাহ দিচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপি সহ সমমনা দল গুলো করছে নিরুৎসাহিত। আসলে কি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে এমন প্রশ্নই এখন সবার মুখে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দাঁড়ি বড় রাখায় যুবককে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলে!

৭ জানুয়ারী নির্বাচন নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে চলছে বাক যুদ্ধের লড়াই

আপডেট সময় ০৬:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

রাজবাড়ীতে ৭ জানুয়ারী নির্বাচন নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে চলছে বাক যুদ্ধের লড়াই

দলীয় সরকারের অধীনে কখনো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে আবারও মন্তব্য করছেন রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। মুঠোফোনে সাংবাদিকদের সাথে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপি নেতা খৈয়ম বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন এ দেশের মানুষ দেখেছে, কিভাবে দিনের ভোট রাতে নেয়া হয়। সে কারণে আমরা দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেই নি।

তিনি আরও বলেন সরকার যে বিরোধী দলবিহীন একতরফা নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, সেটা কোনো নির্বাচন নয়, নির্বাচনের নামে একটা নাটক মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে।
২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো এবারও আরেকটি সাজানো, পাতানো ও আসন ভাগাভাগির নির্বাচন হতে যাচ্ছে। যাকেই ভোট দেওয়া হবে, তিনি হয় নৌকার প্রার্থী, না হয় ডামি প্রার্থী, না হয় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো একতরফা ভোট বর্জন করায় মূলত বিদেশিদের চাপে নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক দেখাতে প্রায় প্রতিটি আসনে নৌকার পাশাপাশি দলের লোকদের দিয়ে এই ডামি, স্বতন্ত্র প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ। আগামী সংসদে বিরোধী দল নির্ধারণ করতেই একতরফা, ভাগ-বাটোয়ারার এই নির্বাচন করছে সরকার। কিন্তু জনগণ এই একতরফা নির্বাচন ইতোমধ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সাথে রাজবাড়ী জেলা সহ দেশের সকল জনগণকে উদার্ত আহ্বান জানিয়েছেন সবাই যেন এই প্রশাসনের নির্বাচনকে বয়কট করে।

এদিকে নির্বাচনমুখী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভোটের মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাজবাড়ী জেলায় বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী সভা সেমিনার সহ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। প্রচার প্রচারণা সহ সরকারের উন্নয়ন বার্তা নিয়ে ভোটারদের উপস্থিত করাই যেনো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

রাজবাড়ীতে নির্বাচনী এক জনসভায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী বলেন। বিএনপি’র নির্বাচনে আসা না আসা নিয়ে নির্বাচনে তেমন কোন প্রভাব পড়বে না। নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে সবাইকে নৌকায় ভোট দিতে হবে। এবং জনগন সবাই নৌকা মার্কায় ভোট দিবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে যাতে তিনি পুনরায় ক্ষমতায় এসে, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেন এবং উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে জাতির মাঝে তুলে ধরতে পারেন।

এদিকে নির্বাচন নিয়ে বক্ষ-বিপক্ষে আওয়ামীলীগ-বিএনপি’র পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে জনমনে চলছে নানা ধরনের প্রশ্ন। ৭ জানুয়ারি আসলেই কি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। একদিকে আওয়ামী লীগ সহ অন্যান্য প্রার্থীরা ভোটের মাঠে ভোটারদের উপস্থিত করতে উৎসাহ দিচ্ছে। অন্যদিকে বিএনপি সহ সমমনা দল গুলো করছে নিরুৎসাহিত। আসলে কি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে এমন প্রশ্নই এখন সবার মুখে।