ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে অবৈধ ইট ভাঁটার পাহাড়, নিরব পরিবেশ অধিদপ্তর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

সুজন খন্দকার,রাজবাড়ী প্রতিনিধি।। রাজবাড়ীতে লাগামহীন ভাবে গড়ে ওঠা, অবৈধ ইটের ভাঁটা গুলো চলছে বছরের পর বছর। এই জেলাতে মোট ৮৮টি ইটের ভাটা থাকলেও নিবন্ধিত ইটের ভাটার সংখ্যা মাত্র ১২ থেকে ১৫ টি। বাকী ৭৩টি ইটের ভাঁটার বেশিরভাগেই নেই কোন সরকারী লাইসেন্স বা পরিবেশের অনুমোদন। তারপরও চলছে এসব ইটের ভাটা । অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ভিন্ন কায়দায় মেনেজ করে চলছে অবৈধ এসব ইটের ভাটা। অবৈধ অনুমোদন বিহীন এসব ইটের ভাটায়, ইট পুড়ানোর কাজে দিব্যি ব্যবহার করা হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী গাছ। শুধু তাই নয়, ইট তৈরীতে ব্যবহার করা হচ্ছে তিন ফসলি জমির মাটি। এতে একদিকে ধ্বংস হচ্ছে শত-শত বিঘা আবাদি তিন ফসলি জমি অন্যদিকে পরিবেশ রক্ষাকারী গাছপালা। এতে অবশ্য কোন প্রকার মাথা ব্যাথা নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে অতিরিক্ত বায়ু দূষণ। তাতে সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে শাসকষ্ট, ক্যান্সার ,জন্ডিস,সহ নানা ধরনের দুরারোগ্য ব্যধিতে।

তবে কথা বলছেন এলাকাবাসী ও শুশীল সমাজের ব্যক্তিরা। তারা বলছেন, প্রতিবছর ইট পুরানোর সৃজনের শুরুতে লোক দেখানোর দুইএকটি ভাটায় অভিযান পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। কিন্তু স্থায়ী ভাবে অবৈধ এসব ইটের ভাটা বন্ধে কার্যকর কোন উদ্বেগ নেয় না, পরিবেশ অধিদপ্তর।

এবিষয়ে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসন আবু কায়সার খান’কে বার বার ০১৭৩৩৩৩৬৪০০ এই নাম্বারে ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তবে কথা বলছেন,পরিবেশ অধিদপ্তরের ফরিদপুর অঞ্চলের উপপরিদর্শক সাঈদ আনোয়ার। তিনি বলেন,আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কারণে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অবৈধ ইটের ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা আপাদত সম্ভব হচ্ছে না। নির্বাচন শেষ হলে অবৈধ প্রতিটি ইটের ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হবে। প্রশ্ন করা হয়েছিলো, ইটের ভাটার মালিকরা বলছে তারা পরিবেশ অধিদপ্তরকে মেনেজ করেছে। এমনন প্রশ্নের জবাবে সাইদ আনোয়ার জানান,
ভাটা মালিকা নিজেদের বাঁচারনোর এসব মিথ্যা কথা বলেন, যার ভিত্তি নেই।

এযেন সরিসার মধ্যেই ভুত একদিকে ভাটা মালিকরা বলছে পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সবাইকে মেনেজ করে তারা চালাচ্ছে ইটের ভাঁটা। অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর সহ ভাটা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সবাই বলছে অবৈধ এসব ইটের কেমনে চলছে এবিষয়ে কিছুই জানা নেই তাদের। তাহলে প্রশ্ন? থেকেই যায়, অবৈধ এসব ইটের ভাঁটা কাদের ইশারায় চলছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দাঁড়ি বড় রাখায় যুবককে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলে!

রাজবাড়ীতে অবৈধ ইট ভাঁটার পাহাড়, নিরব পরিবেশ অধিদপ্তর

আপডেট সময় ১০:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩

সুজন খন্দকার,রাজবাড়ী প্রতিনিধি।। রাজবাড়ীতে লাগামহীন ভাবে গড়ে ওঠা, অবৈধ ইটের ভাঁটা গুলো চলছে বছরের পর বছর। এই জেলাতে মোট ৮৮টি ইটের ভাটা থাকলেও নিবন্ধিত ইটের ভাটার সংখ্যা মাত্র ১২ থেকে ১৫ টি। বাকী ৭৩টি ইটের ভাঁটার বেশিরভাগেই নেই কোন সরকারী লাইসেন্স বা পরিবেশের অনুমোদন। তারপরও চলছে এসব ইটের ভাটা । অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ভিন্ন কায়দায় মেনেজ করে চলছে অবৈধ এসব ইটের ভাটা। অবৈধ অনুমোদন বিহীন এসব ইটের ভাটায়, ইট পুড়ানোর কাজে দিব্যি ব্যবহার করা হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকারী গাছ। শুধু তাই নয়, ইট তৈরীতে ব্যবহার করা হচ্ছে তিন ফসলি জমির মাটি। এতে একদিকে ধ্বংস হচ্ছে শত-শত বিঘা আবাদি তিন ফসলি জমি অন্যদিকে পরিবেশ রক্ষাকারী গাছপালা। এতে অবশ্য কোন প্রকার মাথা ব্যাথা নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে অতিরিক্ত বায়ু দূষণ। তাতে সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে শাসকষ্ট, ক্যান্সার ,জন্ডিস,সহ নানা ধরনের দুরারোগ্য ব্যধিতে।

তবে কথা বলছেন এলাকাবাসী ও শুশীল সমাজের ব্যক্তিরা। তারা বলছেন, প্রতিবছর ইট পুরানোর সৃজনের শুরুতে লোক দেখানোর দুইএকটি ভাটায় অভিযান পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। কিন্তু স্থায়ী ভাবে অবৈধ এসব ইটের ভাটা বন্ধে কার্যকর কোন উদ্বেগ নেয় না, পরিবেশ অধিদপ্তর।

এবিষয়ে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসন আবু কায়সার খান’কে বার বার ০১৭৩৩৩৩৬৪০০ এই নাম্বারে ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তবে কথা বলছেন,পরিবেশ অধিদপ্তরের ফরিদপুর অঞ্চলের উপপরিদর্শক সাঈদ আনোয়ার। তিনি বলেন,আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কারণে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় অবৈধ ইটের ভাটাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা আপাদত সম্ভব হচ্ছে না। নির্বাচন শেষ হলে অবৈধ প্রতিটি ইটের ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হবে। প্রশ্ন করা হয়েছিলো, ইটের ভাটার মালিকরা বলছে তারা পরিবেশ অধিদপ্তরকে মেনেজ করেছে। এমনন প্রশ্নের জবাবে সাইদ আনোয়ার জানান,
ভাটা মালিকা নিজেদের বাঁচারনোর এসব মিথ্যা কথা বলেন, যার ভিত্তি নেই।

এযেন সরিসার মধ্যেই ভুত একদিকে ভাটা মালিকরা বলছে পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সবাইকে মেনেজ করে তারা চালাচ্ছে ইটের ভাঁটা। অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর সহ ভাটা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সবাই বলছে অবৈধ এসব ইটের কেমনে চলছে এবিষয়ে কিছুই জানা নেই তাদের। তাহলে প্রশ্ন? থেকেই যায়, অবৈধ এসব ইটের ভাঁটা কাদের ইশারায় চলছে।