ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আগামী সংসদ নির্বাচন শেখ হাসিনার অধিনেই অনুষ্ঠিত হবে-আমির হোসেন আমু

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেস্টা পরিষদ সদস্য ১৪ দলের সমন্বয়ক সাবেক শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এম.পি বলেছেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্নভাবেই অনুষ্ঠিত হবে এবং এ নির্বাচন শেখ হাসিনার অধিনেই অনুষ্ঠিত হবে। দেশে এমন কোন রাজনৈতিক শক্তি নেই যারা এ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করবে। যদি কোন গোষ্ঠি শান্তিপূর্ন নির্বাচন বাধা গ্রস্থ করতে চায় তাহলে তাদেরকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। মঙ্গলবার দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল চত্বরে ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২৫০ শয্যার নবম তলা ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় থাকে তখনই দেশের মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন করার চেস্টা করে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের কথা ভেবে দেশে কমিউিনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা চালু করেছিল। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় এসে ঈর্ষান্বিত হয়ে কমিউিনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়। অথচ এ বছর জাতীসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় কমিউিনিটি ক্লিনিকের প্রশংসা করা হয়েছে। আমির হোসেন আমু আরও বলেন অতীতে আওয়ামী লীগ দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে একাধিকবার ক্ষমতায় এসেছে। গত ১৫ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে উন্নয়ন হয়েছে তার ধারাবাহিকতা রক্ষায় এদেশের মানুষ আবার শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনবে। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শামীম আহম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল, গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মানিক লাল দাস, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড. খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মোঃ শাহ-আলম, ঝালকাঠি গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ডা. অসীম কুমার সাহা ও ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. এইচ.এম জহিরুল ইসলাম। ২০১৮ সালের ১১ আগষ্ট শিল্পমন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু এম.পি ১০০ শয্যা সদর হাসপাতাল চত্বরে ২৫০ শয্যার নতুন ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন। স্বাস্থ্য পুস্টি ও জনসংখ্যা কর্মসূচীর আওতায় জেলা সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করণ প্রকল্পের আওতায় এ প্রকল্প গ্রহণ করে গণপূর্ত বিভাগ। ২৫০ শয্যার হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হলে জেলার সাত লাখ মানুষ এখান থেকে আধুনিক চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবে । ১৯৮৩ সালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। ৫০ শয্যার অনুমোদন মেলে ১৯৮৫ সালে। ২০০৩ সালে ১০০ শয্যার প্রতিষ্ঠানিক অনুমতি পায়। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ১০০ শয্যার জনবল অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ঝালকাঠি গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দে প্রাথথমিকভাবে ৬ তলা এ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কোহিনুর এন্টারপ্রাইজ ও জিএম কনস্ট্রাকশন। মূল নকশায় ১১ তলা এ ভবনের ৭ম, ৮ম ও ৯ম তলার কাজের জন্য সম্প্রতি বরাদ্দ বাড়িয়ে ৭০ কোটি ৯১ লাখ ১৮ হাজার টাকা করা হয়। লিফটসহ আধুনিক সকল ধরনের সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা থাকবে এ হাসপাতালটিতে।

হাসপাতালের প্রথমতলায় বহিঃবিভাগে রোগী দেখার জন্য চিকিৎসকদের চেম্বার ও রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ল্যাব থাকবে। ৭ম ও ৮ম তলায় থাকবে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কেবিন। ৯ম তলায় থাকবে আইসোলেশন ওয়ার্ড, কিডনি ডাইলোসিস কক্ষ, অপারেশন থিয়েটারসহ প্রশাসনিক অফিস।

এইচ এম নাসির উদ্দিন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি।

রাজবাড়ীর পাংশায় প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থা কতৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলন

আগামী সংসদ নির্বাচন শেখ হাসিনার অধিনেই অনুষ্ঠিত হবে-আমির হোসেন আমু

আপডেট সময় ০৬:১৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেস্টা পরিষদ সদস্য ১৪ দলের সমন্বয়ক সাবেক শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এম.পি বলেছেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্নভাবেই অনুষ্ঠিত হবে এবং এ নির্বাচন শেখ হাসিনার অধিনেই অনুষ্ঠিত হবে। দেশে এমন কোন রাজনৈতিক শক্তি নেই যারা এ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করবে। যদি কোন গোষ্ঠি শান্তিপূর্ন নির্বাচন বাধা গ্রস্থ করতে চায় তাহলে তাদেরকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। মঙ্গলবার দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল চত্বরে ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২৫০ শয্যার নবম তলা ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় থাকে তখনই দেশের মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন করার চেস্টা করে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষের কথা ভেবে দেশে কমিউিনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা চালু করেছিল। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় এসে ঈর্ষান্বিত হয়ে কমিউিনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়। অথচ এ বছর জাতীসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় কমিউিনিটি ক্লিনিকের প্রশংসা করা হয়েছে। আমির হোসেন আমু আরও বলেন অতীতে আওয়ামী লীগ দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে একাধিকবার ক্ষমতায় এসেছে। গত ১৫ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে উন্নয়ন হয়েছে তার ধারাবাহিকতা রক্ষায় এদেশের মানুষ আবার শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনবে। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শামীম আহম্মেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল, গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মানিক লাল দাস, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড. খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মোঃ শাহ-আলম, ঝালকাঠি গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলম, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ডা. অসীম কুমার সাহা ও ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. এইচ.এম জহিরুল ইসলাম। ২০১৮ সালের ১১ আগষ্ট শিল্পমন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু এম.পি ১০০ শয্যা সদর হাসপাতাল চত্বরে ২৫০ শয্যার নতুন ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন। স্বাস্থ্য পুস্টি ও জনসংখ্যা কর্মসূচীর আওতায় জেলা সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করণ প্রকল্পের আওতায় এ প্রকল্প গ্রহণ করে গণপূর্ত বিভাগ। ২৫০ শয্যার হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হলে জেলার সাত লাখ মানুষ এখান থেকে আধুনিক চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবে । ১৯৮৩ সালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। ৫০ শয্যার অনুমোদন মেলে ১৯৮৫ সালে। ২০০৩ সালে ১০০ শয্যার প্রতিষ্ঠানিক অনুমতি পায়। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে ১০০ শয্যার জনবল অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ঝালকাঠি গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দে প্রাথথমিকভাবে ৬ তলা এ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কোহিনুর এন্টারপ্রাইজ ও জিএম কনস্ট্রাকশন। মূল নকশায় ১১ তলা এ ভবনের ৭ম, ৮ম ও ৯ম তলার কাজের জন্য সম্প্রতি বরাদ্দ বাড়িয়ে ৭০ কোটি ৯১ লাখ ১৮ হাজার টাকা করা হয়। লিফটসহ আধুনিক সকল ধরনের সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা থাকবে এ হাসপাতালটিতে।

হাসপাতালের প্রথমতলায় বহিঃবিভাগে রোগী দেখার জন্য চিকিৎসকদের চেম্বার ও রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ল্যাব থাকবে। ৭ম ও ৮ম তলায় থাকবে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কেবিন। ৯ম তলায় থাকবে আইসোলেশন ওয়ার্ড, কিডনি ডাইলোসিস কক্ষ, অপারেশন থিয়েটারসহ প্রশাসনিক অফিস।

এইচ এম নাসির উদ্দিন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি।