ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগের নৈরাজ্য জাহেলি যুগের বর্বরতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে-ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ -এর কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ ও সেক্রেটারি জেনারেল ইউসুফ আহমাদ মানসুর আজ ৬ আগষ্ট’২৩ রবিবার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন,ছাত্রলীগের নৈরাজ্য জাহেলি যুগের বর্বরতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে । সম্প্রতি নিরীহ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রেজাউলকে হত্যা এবং ঢাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দের উপর নিপীড়ন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে ফিকে হয়ে যাচ্ছে তাদের অতীতের সব অর্জন। দেশের স্বাধীনতা পরবর্তী ছাত্রলীগ হয়ে উঠছে অপরাধীদের অভয়ারণ্য। ছাত্রলীগ এখন হয়ে উঠেছে রক্তপিপাসু। খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, নির্যাতন, যৌন হয়রানি, দুর্নীতিসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা ছাত্রলীগ করেনা। দল ক্ষমতায় থাকায় ছাত্রলীগ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

ছাত্র পিটিয়ে তাদের বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা ছাত্রলীগের নেতাদের কাছে খুব সহজ ব্যাপার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে শো-ডাউনের রাস্তা ও হলগুলোকে টর্চার শেল বানিয়েছে ছাত্রলীগ। যখন তখন ছাত্র তুলে এনে পেটানো যেন পরিণত হয়েছে তাদের বিনোদনের খোরাকে।

ছাত্রলীগের নৈরাজ্য শুধু ক্যাম্পাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাম্পাসের বাইরেও। ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে হেনস্তা থেকে শুরু করে খুনের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রলীগ। ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর দর্জি দোকানদার বিশ্বজিৎ দাসকে বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রেজাউলকে হত্যা নতুন নয়,গত ২০১৯ সালে ৭ অক্টোবর আলোচিত বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেছিলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। আবরার হত্যার পর বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হলেও দেশের যে কয়টি বিদ্যাপিঠে ছাত্র রাজনীতি আছে, সবকটিতে দেখা যায় ছাত্রলীগের নৈরাজ্য।

ছাত্রলীগের রাজনীতিকে সন্ত্রাসী রাজনীতি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সারাদেশে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যথায় সারা দেশের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে ছাত্রলীগের নৈরাজ্য রুখে দিতে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুর- ২ আসনের জনগণের শান্তি নিশ্চিত করা আমার লক্ষ্য: এমপি লাবু চৌধুরী

ছাত্রলীগের নৈরাজ্য জাহেলি যুগের বর্বরতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে-ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৯:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ -এর কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদ ও সেক্রেটারি জেনারেল ইউসুফ আহমাদ মানসুর আজ ৬ আগষ্ট’২৩ রবিবার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন,ছাত্রলীগের নৈরাজ্য জাহেলি যুগের বর্বরতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে । সম্প্রতি নিরীহ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রেজাউলকে হত্যা এবং ঢাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দের উপর নিপীড়ন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে ফিকে হয়ে যাচ্ছে তাদের অতীতের সব অর্জন। দেশের স্বাধীনতা পরবর্তী ছাত্রলীগ হয়ে উঠছে অপরাধীদের অভয়ারণ্য। ছাত্রলীগ এখন হয়ে উঠেছে রক্তপিপাসু। খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, নির্যাতন, যৌন হয়রানি, দুর্নীতিসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা ছাত্রলীগ করেনা। দল ক্ষমতায় থাকায় ছাত্রলীগ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

ছাত্র পিটিয়ে তাদের বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা ছাত্রলীগের নেতাদের কাছে খুব সহজ ব্যাপার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসকে শো-ডাউনের রাস্তা ও হলগুলোকে টর্চার শেল বানিয়েছে ছাত্রলীগ। যখন তখন ছাত্র তুলে এনে পেটানো যেন পরিণত হয়েছে তাদের বিনোদনের খোরাকে।

ছাত্রলীগের নৈরাজ্য শুধু ক্যাম্পাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাম্পাসের বাইরেও। ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে হেনস্তা থেকে শুরু করে খুনের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রলীগ। ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর দর্জি দোকানদার বিশ্বজিৎ দাসকে বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রেজাউলকে হত্যা নতুন নয়,গত ২০১৯ সালে ৭ অক্টোবর আলোচিত বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেছিলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। আবরার হত্যার পর বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হলেও দেশের যে কয়টি বিদ্যাপিঠে ছাত্র রাজনীতি আছে, সবকটিতে দেখা যায় ছাত্রলীগের নৈরাজ্য।

ছাত্রলীগের রাজনীতিকে সন্ত্রাসী রাজনীতি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সারাদেশে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্যথায় সারা দেশের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে ছাত্রলীগের নৈরাজ্য রুখে দিতে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।