ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

এমপিকে কটূক্তি ও দলীয় নেতাকর্মীদের মারধর: উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবাঞ্চিত ঘোষণা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:২৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০২৩
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান মানিকগঞ্জ- ২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে নিয়ে কটূক্তি মনগড়া মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন ও দলীয় নেতাকর্মী হামলার শিকার হওয়ায় প্রতিবাদ সভা করেছে হরিরামপুর উপজেলা যুবলীগ।

বুধবার (২৭জুন) দুপুরে হরিরামপুর উপজেলার গালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান ও তার ছেলের বিরুদ্ধে ঘন্টাব্যাপী প্রতিবাদ সভা করে উপজেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার ছেলের সমর্থকদের হাতে মারধরের শিকার হওয়া নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ সভায় তাদের বক্তব্যে বলেন, সাইদুর রহমান ছাত্র জীবন থেকেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। অন্যের জমি দখল, মুক্তিযোদ্ধা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মারধর করে জামাত-বিএনপি’র এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর দেওয়ানের হামলার শিকার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুস্তাকিন চৌধুরী রিফাত তার বক্তব্যে বলেন, হরিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেশ বিরোধী সকল কর্মকান্ডের সাথে পরোক্ষ মদদ ও জামাত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন যার চূড়ান্ত লক্ষ্য। অন্যের জমি দখল, হরিরামপুর রক্ষা বাধের নিকটে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর উপর বর্বরোচিত হামলা চালায় তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী বাহিনী। ওই হামলায় আমি গুরুতর আহত হই।

বাল্লা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আব্দুর রশিদ কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী হামলায় আমি মারধরের শিকার হই। আমি এখনো পা খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটি। আমার কি অপরাধ ছিল? আমি একজন সাধারন মানুষ।

উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক ইউসুফ দেওয়ান বলেন, আমি উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক এটা কি আমার অপরাধ? আমি যদি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেওয়ান সাইদুর রহমান ও তার ছেলে নবীনূর দেওয়ানের কারণে নিরাপদ না থাকি তাহলে আপনারা জনগণ কিভাবে নিরাপদ থাকবেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলে নবীনূর আমার আমার দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে আমার দোকানে লুটপাট করে এবং আমাকে এবং আমার বোনকে মারধর করে নবীনূর বাহিনী।

হরিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, একজন উপজেলা চেয়ারম্যান হয়ে স্বনামধন্য এমপি মমতাজ বেগমকে নিয়ে মিথ্যা মনগড়া বক্তব্যের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন করেন। হরিরামপুরবাসী জানেন কে সন্ত্রাসী। দিবালোকের মত সত্য উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার ছেলে একজন সন্ত্রাসী। সাইদুর চেয়ারম্যানের নির্দেশে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের রক্ত ঝরানো হয়েছে। আমরা হরিরামপুরের শান্তি চাই। আর শান্তিতে বসবাস করতে চাইলে আপনারা জনগণ মমতাজ বেগমের কথা বলতে হবে। দেওয়ান সাইদুর চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আপনি আর হরিরামপুরে হত্যাযজ্ঞ কর্মকাণ্ড চালাবেন না। আপনি এমপি মমতাজ বেগমকে নিয়ে আরেকটি মিথ্যা কথা বললে আমরা বসে থাকবো না। এই প্রতিবাদ সভা থেকে আপনাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করলাম।

হরিরামপুর উপজেলা যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ মোল্লা বলেন, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে নিয়ে ও মনগড়া বক্তব্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান। সাইদুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন আপনার মুখে শুধু মধু অন্তরে বিষ! আপনি ঝিটকা বাজারে আব্দুল করিমের জায়গা ভুয়া কাগজ দিয়ে দখল করে চার কোটি টাকা বাণিজ্য করেছেন। সেই জায়গায় আপনার আত্মীয়র কাছে বিক্রি করেছে। এখন সেই জায়গায় হাসি মার্কেট নির্মাণ হয়েছে। আপনি সাইদুর চেয়ারম্যান কতটা ভালো মানুষ আমি জানি। আপনি প্রশিকার মত প্রতিষ্ঠানে তালা
দিয়েছিলেন আপনার মুখোশ উন্মোচন করা হবে। আপনি যদি আরেকটা ছাত্রলীগ যুবলীগ শ্রমিক লীগ নেতাকর্মীদের গায়ে হাত তোলেন তাহলে আমরা এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দিব।

জেলা যুবলীগের সদস্য জাফর ইকবাল বিপুল বলেন, সাইদুর চেয়ারম্যানের ভাতিজা হত্যায় আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা মামলায় আমাকে জড়ানো হয়। এছাড়া তিনি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এই উপজেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিমকে উপজেলা ক্লাবে ঢুকিয়ে নিজ হাতে মারধোর করেছে। তিনি ও তার বাহিনী অন্য কাউকে আঘাত করে না, বেছে বেছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। তিনি এ সময় চেয়ারম্যানের ভাতিজা হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

হরিরামপুর উপজেলা যুবলীগের আবেগ আমিনুর রহমান চৌধুরী মিল্টন বলেন, আপনি সাইদুর রহমান আমাদের প্রিয় এমপি মমতাজ বেগমকে নিয়ে কটুক্তি করেছেন তার জবাব আপনি পেয়েছেন। আপনি সাইদুর ও নবীনূর দেওয়ান ভাববেন না যে হরিরামপুর উপজেলাকে অশান্তি করবেন। তাহলে আপনারাও অশান্তিতে থাকবেন। আমরা যুবলীগের নেতা কর্মীরা মমতাজ এমপির পাশে আছি।

এবিষয়ে হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন হরিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাজিবুল ইসলাম, সহ-সভাপতি তানভীর সিদ্দিক, সহ-সভাপতি সুমন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক শুভ মল্লিক, বয়ড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রকুবুল হাসান সুইম, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শেখ, বাল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জমির খান, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তারেক,সুতালড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিঠু শেখ প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

সালথায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যায় পাঁচ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এমপিকে কটূক্তি ও দলীয় নেতাকর্মীদের মারধর: উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবাঞ্চিত ঘোষণা

আপডেট সময় ১০:২৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুন ২০২৩

সাইফুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান মানিকগঞ্জ- ২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে নিয়ে কটূক্তি মনগড়া মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন ও দলীয় নেতাকর্মী হামলার শিকার হওয়ায় প্রতিবাদ সভা করেছে হরিরামপুর উপজেলা যুবলীগ।

বুধবার (২৭জুন) দুপুরে হরিরামপুর উপজেলার গালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান ও তার ছেলের বিরুদ্ধে ঘন্টাব্যাপী প্রতিবাদ সভা করে উপজেলা যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার ছেলের সমর্থকদের হাতে মারধরের শিকার হওয়া নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ সভায় তাদের বক্তব্যে বলেন, সাইদুর রহমান ছাত্র জীবন থেকেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। অন্যের জমি দখল, মুক্তিযোদ্ধা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মারধর করে জামাত-বিএনপি’র এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর দেওয়ানের হামলার শিকার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুস্তাকিন চৌধুরী রিফাত তার বক্তব্যে বলেন, হরিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেশ বিরোধী সকল কর্মকান্ডের সাথে পরোক্ষ মদদ ও জামাত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন যার চূড়ান্ত লক্ষ্য। অন্যের জমি দখল, হরিরামপুর রক্ষা বাধের নিকটে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর উপর বর্বরোচিত হামলা চালায় তার লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী বাহিনী। ওই হামলায় আমি গুরুতর আহত হই।

বাল্লা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আব্দুর রশিদ কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী হামলায় আমি মারধরের শিকার হই। আমি এখনো পা খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটি। আমার কি অপরাধ ছিল? আমি একজন সাধারন মানুষ।

উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক ইউসুফ দেওয়ান বলেন, আমি উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক এটা কি আমার অপরাধ? আমি যদি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেওয়ান সাইদুর রহমান ও তার ছেলে নবীনূর দেওয়ানের কারণে নিরাপদ না থাকি তাহলে আপনারা জনগণ কিভাবে নিরাপদ থাকবেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলে নবীনূর আমার আমার দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে আমার দোকানে লুটপাট করে এবং আমাকে এবং আমার বোনকে মারধর করে নবীনূর বাহিনী।

হরিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, একজন উপজেলা চেয়ারম্যান হয়ে স্বনামধন্য এমপি মমতাজ বেগমকে নিয়ে মিথ্যা মনগড়া বক্তব্যের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন করেন। হরিরামপুরবাসী জানেন কে সন্ত্রাসী। দিবালোকের মত সত্য উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার ছেলে একজন সন্ত্রাসী। সাইদুর চেয়ারম্যানের নির্দেশে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের রক্ত ঝরানো হয়েছে। আমরা হরিরামপুরের শান্তি চাই। আর শান্তিতে বসবাস করতে চাইলে আপনারা জনগণ মমতাজ বেগমের কথা বলতে হবে। দেওয়ান সাইদুর চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, আপনি আর হরিরামপুরে হত্যাযজ্ঞ কর্মকাণ্ড চালাবেন না। আপনি এমপি মমতাজ বেগমকে নিয়ে আরেকটি মিথ্যা কথা বললে আমরা বসে থাকবো না। এই প্রতিবাদ সভা থেকে আপনাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করলাম।

হরিরামপুর উপজেলা যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক ফরিদ মোল্লা বলেন, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে নিয়ে ও মনগড়া বক্তব্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান। সাইদুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন আপনার মুখে শুধু মধু অন্তরে বিষ! আপনি ঝিটকা বাজারে আব্দুল করিমের জায়গা ভুয়া কাগজ দিয়ে দখল করে চার কোটি টাকা বাণিজ্য করেছেন। সেই জায়গায় আপনার আত্মীয়র কাছে বিক্রি করেছে। এখন সেই জায়গায় হাসি মার্কেট নির্মাণ হয়েছে। আপনি সাইদুর চেয়ারম্যান কতটা ভালো মানুষ আমি জানি। আপনি প্রশিকার মত প্রতিষ্ঠানে তালা
দিয়েছিলেন আপনার মুখোশ উন্মোচন করা হবে। আপনি যদি আরেকটা ছাত্রলীগ যুবলীগ শ্রমিক লীগ নেতাকর্মীদের গায়ে হাত তোলেন তাহলে আমরা এর দাঁতভাঙ্গা জবাব দিব।

জেলা যুবলীগের সদস্য জাফর ইকবাল বিপুল বলেন, সাইদুর চেয়ারম্যানের ভাতিজা হত্যায় আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা মামলায় আমাকে জড়ানো হয়। এছাড়া তিনি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এই উপজেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিমকে উপজেলা ক্লাবে ঢুকিয়ে নিজ হাতে মারধোর করেছে। তিনি ও তার বাহিনী অন্য কাউকে আঘাত করে না, বেছে বেছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিকলীগ নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। তিনি এ সময় চেয়ারম্যানের ভাতিজা হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

হরিরামপুর উপজেলা যুবলীগের আবেগ আমিনুর রহমান চৌধুরী মিল্টন বলেন, আপনি সাইদুর রহমান আমাদের প্রিয় এমপি মমতাজ বেগমকে নিয়ে কটুক্তি করেছেন তার জবাব আপনি পেয়েছেন। আপনি সাইদুর ও নবীনূর দেওয়ান ভাববেন না যে হরিরামপুর উপজেলাকে অশান্তি করবেন। তাহলে আপনারাও অশান্তিতে থাকবেন। আমরা যুবলীগের নেতা কর্মীরা মমতাজ এমপির পাশে আছি।

এবিষয়ে হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন হরিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাজিবুল ইসলাম, সহ-সভাপতি তানভীর সিদ্দিক, সহ-সভাপতি সুমন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক শুভ মল্লিক, বয়ড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রকুবুল হাসান সুইম, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শেখ, বাল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জমির খান, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তারেক,সুতালড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিঠু শেখ প্রমুখ।