ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ী সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক মো. লতিফুর রহমানের বিরুদ্ধে খামারের পুকুরে উৎপাদিত রেনু ও পোনা বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বিষয়টি নিয়ে রাজবাড়ীর মৎস্যজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে আজ বুধবার সংবাদের সংগ্রহের জন্য মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে যান রাজবাড়ী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি লিটন চক্রবর্তী, সাংবাদিক সুমন বিশ্বাস, ইমরান হোসেন মনিম ও মো. আতিয়ার রহমান। অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে গেলে তাদেরকে লাঞ্ছিত করেন মো. লতিফুর রহমান।

এ সময় তাদেরকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতারের হুমকি প্রদান করেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে রাজবাড়ীর সংবাদকর্মীদের মধ্যে। তিনি বলেন, যা পারেন করেন, আমার কিছুই হবে না। আর দুই বছর চাকুরী রয়েছে।

আমি নিজেই অন্যের তদন্ত করি। আমার তদন্ত কে করবে।

এমন দাম্ভিক ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা সম্পর্কে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচাকের কাছে জানতে চাওয়া হয়। মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খঃ মাহবুবুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগ করলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কাছে আপনাদের পক্ষ থেকে যে কেউ অভিযোগ দেন। আমি কথা দিচ্ছি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লতিফুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি রাজবাড়ী সরকারি মৎস বীজ উৎপাদন খামার খেকে ১৪ কেজি রেনু বিক্রি করেন লুৎফর রহমান। প্রতি কেজি রেনুর সরকারি দাম এক হাজার নয়শ টাকা হলেও তিনি চার হাজার টাকা কেজিতে এসব রেনু বিক্রি করেন। গোপালগঞ্জের হামিমের কাছে চার কেজি কার্প জাতীয় রেনু, রাজবাড়ীর মধুসুদনের কাছে দুই কেজি, নুর ইসলামের কাছে দুই কেজি, ইউনুস আলীর কাছে তিন কেজি, বোয়ালমারী মিজানের কাছে দুই কেজি আর কালুখালি এলাকার ইউসুফের কাছে এক কেজি রেনু বিক্রি করেন।

যারা রেনু ক্রয় করে তাদের সরকারি মূল্যের কোন রশিদও দেয় না। ১৪ কেজি রেনু বিক্রি করা ৫৬ হাজার টাকা সরকারি কোষাগাড়ে জমা না দিয়ে লুৎফর রহমান আত্মসাৎ করেন। এছাড়া গত মাসেও ১০ কেজি রেনু বিক্রির ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগাড়ে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করে। প্রতি বছরই এভাবে কয়েক লক্ষ টাকার রেনু বিক্রি করে খামারের ব্যবস্থাপক মোঃ লতিফুর রহমান টাকা আত্মসাথ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের ব্যাপারে রাজবাড়ী সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক মো. লতিফুর রহমান ফোনে বলেন, আমি মোবাইলে কিছু বলতে পারবো না।
লাঞ্চিত সাংবাদিক সুমন বিশ্বাস বলেন, আমরা গণমাধ্যমকর্মীরা খামারের ব্যবস্থাপকের কাছে বিষয় সম্পর্কে বক্তব্য নিতে যাই। তিনি আমাদের লাঞ্ছিত করেছেন। আমরা লিখিত অভিযোগ দিবো

জনপ্রিয় সংবাদ

দাঁড়ি বড় রাখায় যুবককে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলে!

রাজবাড়ীতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত

আপডেট সময় ০৭:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৩

রাজবাড়ী সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক মো. লতিফুর রহমানের বিরুদ্ধে খামারের পুকুরে উৎপাদিত রেনু ও পোনা বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বিষয়টি নিয়ে রাজবাড়ীর মৎস্যজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে আজ বুধবার সংবাদের সংগ্রহের জন্য মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে যান রাজবাড়ী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি লিটন চক্রবর্তী, সাংবাদিক সুমন বিশ্বাস, ইমরান হোসেন মনিম ও মো. আতিয়ার রহমান। অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে গেলে তাদেরকে লাঞ্ছিত করেন মো. লতিফুর রহমান।

এ সময় তাদেরকে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতারের হুমকি প্রদান করেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে রাজবাড়ীর সংবাদকর্মীদের মধ্যে। তিনি বলেন, যা পারেন করেন, আমার কিছুই হবে না। আর দুই বছর চাকুরী রয়েছে।

আমি নিজেই অন্যের তদন্ত করি। আমার তদন্ত কে করবে।

এমন দাম্ভিক ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কর্মকর্তা সম্পর্কে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচাকের কাছে জানতে চাওয়া হয়। মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খঃ মাহবুবুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগ করলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কাছে আপনাদের পক্ষ থেকে যে কেউ অভিযোগ দেন। আমি কথা দিচ্ছি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লতিফুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি রাজবাড়ী সরকারি মৎস বীজ উৎপাদন খামার খেকে ১৪ কেজি রেনু বিক্রি করেন লুৎফর রহমান। প্রতি কেজি রেনুর সরকারি দাম এক হাজার নয়শ টাকা হলেও তিনি চার হাজার টাকা কেজিতে এসব রেনু বিক্রি করেন। গোপালগঞ্জের হামিমের কাছে চার কেজি কার্প জাতীয় রেনু, রাজবাড়ীর মধুসুদনের কাছে দুই কেজি, নুর ইসলামের কাছে দুই কেজি, ইউনুস আলীর কাছে তিন কেজি, বোয়ালমারী মিজানের কাছে দুই কেজি আর কালুখালি এলাকার ইউসুফের কাছে এক কেজি রেনু বিক্রি করেন।

যারা রেনু ক্রয় করে তাদের সরকারি মূল্যের কোন রশিদও দেয় না। ১৪ কেজি রেনু বিক্রি করা ৫৬ হাজার টাকা সরকারি কোষাগাড়ে জমা না দিয়ে লুৎফর রহমান আত্মসাৎ করেন। এছাড়া গত মাসেও ১০ কেজি রেনু বিক্রির ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগাড়ে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করে। প্রতি বছরই এভাবে কয়েক লক্ষ টাকার রেনু বিক্রি করে খামারের ব্যবস্থাপক মোঃ লতিফুর রহমান টাকা আত্মসাথ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের ব্যাপারে রাজবাড়ী সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক মো. লতিফুর রহমান ফোনে বলেন, আমি মোবাইলে কিছু বলতে পারবো না।
লাঞ্চিত সাংবাদিক সুমন বিশ্বাস বলেন, আমরা গণমাধ্যমকর্মীরা খামারের ব্যবস্থাপকের কাছে বিষয় সম্পর্কে বক্তব্য নিতে যাই। তিনি আমাদের লাঞ্ছিত করেছেন। আমরা লিখিত অভিযোগ দিবো