ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ঝালকাঠিতে অগ্নিকান্ডে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই:১০ লাখ টাকার ক্ষতি

ঝালকাঠিতে অগ্নিকান্ডে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই:১০ লাখ টাকার ক্ষতি

ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের বৈদারাপুর গ্রামে অগ্নিকান্ডে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থতরা দাবি করেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, স্থানীয় আলী আজিমের টিনের ঘরে ওই রাতে কেউ ছিল না। সেখান থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলীহান শিখা চার দিকে ছরিয়ে পরে। এতে পাশের নাজমুল হাওলাদার ও হারুন হাওলাদারের টিনের ঘরে আগুন লাগে। স্থানীয়রা ফায়াসার্ভিস খবর দেয়।

তবে সড়ক যোগাযোগা ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী ঘটনাস্থলের পৌছাতে পারেনি। পরে ভ্যান গাড়িতে করে ফায়ারসার্ভিস কর্মীরা গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে আর ততক্ষনে তিনটি বসত ঘর সম্পুন্ন পুড়ে যায়। নাজমুল হাওলাদার ও হারুন হাওলাদারের ঘরের লোকজন ঘুমানো ছিল। আগুন দেখে পাশের প্রতিবেশিরা ডাক চিৎকার দিলে তাদের ঘুম ভাঙ্গে।

ক্ষতিগ্রস্থ নাজমুল হোসেনের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন,‘ আগুনে আমাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমরা নিশ্ব হয়ে গেছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম বলেন,‘ রাস্তা খারাপ থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে পারেনি। সময় মত গাড়ি আসতে পারলে ক্ষতির পরিমান কম হত। তিনটি ঘর পুড়ে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ঝালকাঠি ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. শফিফুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার সঠিক কারন এখনও জানা যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। অগ্নিকান্ডে তিনটি ঘর সম্পূর্ন্ন পুড়ে গেছে এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

রাজবাড়ীর পাংশায় প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থা কতৃক আয়োজিত ঈদ পূর্ণমিলন

ঝালকাঠিতে অগ্নিকান্ডে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই:১০ লাখ টাকার ক্ষতি

ঝালকাঠিতে অগ্নিকান্ডে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই:১০ লাখ টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় ১২:৩৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২

ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের বৈদারাপুর গ্রামে অগ্নিকান্ডে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থতরা দাবি করেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, স্থানীয় আলী আজিমের টিনের ঘরে ওই রাতে কেউ ছিল না। সেখান থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলীহান শিখা চার দিকে ছরিয়ে পরে। এতে পাশের নাজমুল হাওলাদার ও হারুন হাওলাদারের টিনের ঘরে আগুন লাগে। স্থানীয়রা ফায়াসার্ভিস খবর দেয়।

তবে সড়ক যোগাযোগা ব্যবস্থা ভালো না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী ঘটনাস্থলের পৌছাতে পারেনি। পরে ভ্যান গাড়িতে করে ফায়ারসার্ভিস কর্মীরা গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে আর ততক্ষনে তিনটি বসত ঘর সম্পুন্ন পুড়ে যায়। নাজমুল হাওলাদার ও হারুন হাওলাদারের ঘরের লোকজন ঘুমানো ছিল। আগুন দেখে পাশের প্রতিবেশিরা ডাক চিৎকার দিলে তাদের ঘুম ভাঙ্গে।

ক্ষতিগ্রস্থ নাজমুল হোসেনের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন,‘ আগুনে আমাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। আমরা নিশ্ব হয়ে গেছি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম বলেন,‘ রাস্তা খারাপ থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে পারেনি। সময় মত গাড়ি আসতে পারলে ক্ষতির পরিমান কম হত। তিনটি ঘর পুড়ে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ঝালকাঠি ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. শফিফুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার সঠিক কারন এখনও জানা যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। অগ্নিকান্ডে তিনটি ঘর সম্পূর্ন্ন পুড়ে গেছে এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।