ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
এইমাত্র প্রাপ্ত ::
Logo কাতারের নিরাপত্তা ব্যবস্থাতে আমরা অভিভূত Logo ঝালকাঠির রাজাপুরে নও মুসলিম গৃহবধুর উপর হামলা Logo ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং-এ ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মানের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন Logo অনুষ্ঠিত হলো ঢাকাস্থ রাজবাড়ী জেলা সাংবাদিক ফোরামের নির্বাহী পরিষদের প্রথম বৈঠক। Logo সালথার সোনাপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের আংশিক কমিটি গঠন ‘সভাপতি শাহজাহান, সম্পাদক আমির’ Logo ঝালকাঠিতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নারী সহ আহত ১১ Logo রুপাপাত বামন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত Logo সালথায় সন্তানদের হাতে পিতা নিহত: আটক-৪ Logo প্রেমিকের সাথে অভিমানে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা Logo সহকারী নার্স মোতালেবের দাপটে অসহায় চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারীরা

সংসদ ভেঙে দেওয়ায় “কলিং ভিসা”র উপর কি ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?

  • সুমন খান
  • আপডেট সময় ০৯:২১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

আমার ধারণায় বেশ ভালোই হয়েছে। ভালোর অনেকগুলো কারণ আছে।

আসুন জেনে নেই-
বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনে বেশ ভালোই চলছিল মালয়েশিয়া। তার বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কোন অভিযোগ বা আন্দোলন হয়েছে আমার জানা নেই। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী তিনিই হবেন এটাই আমি আপাতত বিশ্বাস করছি।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেশ চিকন বুদ্ধির লোক। গুঞ্জন আছে মহিউদ্দিন ইয়াসিনকে তিনিই নামিয়েছেন। নাজিব রাজাক, আনোয়ার ইব্রাহিম, মহিউদ্দিন ইয়াসিন সহ যারা প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন তাদেরকে পিছনে ফেলে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব! যা সাধারণত কেউ চিন্তাও করেনি। রাজার সাথেও ভালো সম্পর্ক‌ রয়েছে তার। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নিজেই প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সংসদ ভেঙ্গে দিয়েছে! এর অর্থ দাঁড়ায় বাকিদেরকে ঠিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় দিচ্ছেন না! তার পরিকল্পনা ঠিকঠাক রেখেই সংসদ ভেঙে দিয়েছে। এবং এটাও বলা আছে যেন খুব দ্রুত অর্থাৎ ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হয়ে যায়। এতে করে বাকিরা এমনিতেও নির্বাচনের ঠিকঠাক প্রস্তুতি নিতে পারবে না।

*সবকিছু যোগ করলে আমার কাছে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব-ই থাকবে। তবে রাজনৈতিক দৌড় কোথায় গিয়ে থামে তা কেউ নিশ্চিত বলতে পারবে না।

**যদি সরকার পরিবর্তন না হয় সহজেই বলা যায় কলিং আর বন্ধ হচ্ছে না। মালয়েশিয়া কর্মী প্রেরন আরো সুষম পর্যায়ে হবে। কলিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তা থাকবে না। আরামসে ধীরে সুস্থে কলিং এর কাজ করা যাবে আগামী কয়েক বছর।

***যদি নতুন সরকার আসে সে ক্ষেত্রে হয়তো বর্তমান সিন্ডিকেট ভেঙে নতুন সিন্ডিকেট বা সিন্ডিকেট মুক্ত ভাবে পুনরায় কলিং খোলা হবে। নতুন সরকার আসলে কলিং বন্ধ হয়ে যাবে মালয়েশিয়া লোক যেতে পারবে না এটা ভুল ধারণা। মূল বিষয় হচ্ছে মালয়েশিয়াতে কর্মী প্রয়োজন, নতুন সরকার আসলে হয়তো বা নতুন পদ্ধতিতে কর্মী নেবে। যদি কলিং বন্ধ হয়ে যায় লস হবে যারা সিন্ডিকেট করেছে তাদের। এবং এটাই হওয়া উচিত। সাধারণ জনগণকে বলবো নির্বাচনের ফলাফল অব্দি অপেক্ষা করুন যদি রিক্স না নিতে চান। ধন্যবাদ।

বিশ্লেষণ ও লেখাঃ সুমন খান

ট্যাগস :

স্ত্রীর হামলা থেকে রেহাই চেয়ে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

সংসদ ভেঙে দেওয়ায় “কলিং ভিসা”র উপর কি ধরনের প্রভাব পড়তে পারে?

আপডেট সময় ০৯:২১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২

আমার ধারণায় বেশ ভালোই হয়েছে। ভালোর অনেকগুলো কারণ আছে।

আসুন জেনে নেই-
বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনে বেশ ভালোই চলছিল মালয়েশিয়া। তার বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কোন অভিযোগ বা আন্দোলন হয়েছে আমার জানা নেই। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী তিনিই হবেন এটাই আমি আপাতত বিশ্বাস করছি।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেশ চিকন বুদ্ধির লোক। গুঞ্জন আছে মহিউদ্দিন ইয়াসিনকে তিনিই নামিয়েছেন। নাজিব রাজাক, আনোয়ার ইব্রাহিম, মহিউদ্দিন ইয়াসিন সহ যারা প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন তাদেরকে পিছনে ফেলে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব! যা সাধারণত কেউ চিন্তাও করেনি। রাজার সাথেও ভালো সম্পর্ক‌ রয়েছে তার। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নিজেই প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সংসদ ভেঙ্গে দিয়েছে! এর অর্থ দাঁড়ায় বাকিদেরকে ঠিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় দিচ্ছেন না! তার পরিকল্পনা ঠিকঠাক রেখেই সংসদ ভেঙে দিয়েছে। এবং এটাও বলা আছে যেন খুব দ্রুত অর্থাৎ ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হয়ে যায়। এতে করে বাকিরা এমনিতেও নির্বাচনের ঠিকঠাক প্রস্তুতি নিতে পারবে না।

*সবকিছু যোগ করলে আমার কাছে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব-ই থাকবে। তবে রাজনৈতিক দৌড় কোথায় গিয়ে থামে তা কেউ নিশ্চিত বলতে পারবে না।

**যদি সরকার পরিবর্তন না হয় সহজেই বলা যায় কলিং আর বন্ধ হচ্ছে না। মালয়েশিয়া কর্মী প্রেরন আরো সুষম পর্যায়ে হবে। কলিং বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তা থাকবে না। আরামসে ধীরে সুস্থে কলিং এর কাজ করা যাবে আগামী কয়েক বছর।

***যদি নতুন সরকার আসে সে ক্ষেত্রে হয়তো বর্তমান সিন্ডিকেট ভেঙে নতুন সিন্ডিকেট বা সিন্ডিকেট মুক্ত ভাবে পুনরায় কলিং খোলা হবে। নতুন সরকার আসলে কলিং বন্ধ হয়ে যাবে মালয়েশিয়া লোক যেতে পারবে না এটা ভুল ধারণা। মূল বিষয় হচ্ছে মালয়েশিয়াতে কর্মী প্রয়োজন, নতুন সরকার আসলে হয়তো বা নতুন পদ্ধতিতে কর্মী নেবে। যদি কলিং বন্ধ হয়ে যায় লস হবে যারা সিন্ডিকেট করেছে তাদের। এবং এটাই হওয়া উচিত। সাধারণ জনগণকে বলবো নির্বাচনের ফলাফল অব্দি অপেক্ষা করুন যদি রিক্স না নিতে চান। ধন্যবাদ।

বিশ্লেষণ ও লেখাঃ সুমন খান